বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী রাজনীতি

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০১৭, ১২:০১

অনলাইন ডেস্ক

সুভাষ সিংহ রায়

মৃত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সামরিক সরকারের অস্বস্তি ও ভয় ছিল। মৃত বঙ্গবন্ধুকে মোকাবিলা করার জন্য ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট ইতোপূর্বে জারি করা রাজনৈতিক দলবিধি সংশোধন করা হয়। প্রথমে জারি হওয়া দলবিধিতে ছিল, ‘ক্ষতিকর কার্যকলাপে লিপ্ত’ কোনো সংগঠনকে নিবন্ধন দেওয়া হবে না। ৪ আগস্টের সংশোধনীতে ক্ষতিকর কার্যকলাপের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ১০টি উপ-দফার উল্লেখ করা হয়। ১০ নম্বর উপদফায় বলা হয়Ñ ‘কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি বা উৎসাহিত করিবার জন্য পরিকল্পিত হয় বা উৎসাহিত করিতে পারে বলিয়া সম্ভাবনা রহিয়াছে।’ এ কথা এখন আর বলবার অপেক্ষা রাখে না, আওয়ামী লীগ যাতে দলের শক্তি পুনরুদ্ধারে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ব্যবহার করা থেকে আওয়ামী লীগকে বিরত রাখার জন্যই রাজনৈতিক দলবিধিতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬ সরকারি অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। ঘোষণাপত্রে আওয়ামী লীগ ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি উল্লেখ করেছিল। সরকার আওয়ামী লীগকে অনুমোদন দিতে অস্বীকার করে। পরে আওয়ামী লীগ ঘোষণাপত্র থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি বাদ দিয়ে আবার আবেদন করলে ৪ নভেম্বর (১৯৭৬) দলটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়। 
সেই সময় মওলানা ভাসানী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সামরিক সরকার যথারীতি চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডন পাঠায়। চিকিৎসা শেষে ১৯৭৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরে এসে বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের জানানÑ “দেশের জনগণ এই মুহূর্তে নির্বাচন চায় না। এ দেশের জনগণ মুসলিম লীগ ও বিগত আওয়ামী লীগ আমলেও নির্বাচনের কোনো সুফল পায়নি। দেশের মানুষ এই মুহূর্তে নির্বাচন চায় কি না, গণভোটের মাধ্যমে তা যাচাই করা দরকার।...
একটা ‘বাজে গণপরিষদ’ কর্তৃক জণগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া সংবিধান বাতিল করে সরকারের ভিতরের ও বাইরের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে নতুন খসড়া সংবিধান তৈরির জন্যে সরকারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। নির্বাচন হইলে হানাহানিÑ কাটাকাটি হইবে। ইহা শান্তিপ্রিয় জনগণ চায় না। এই ধরনের নির্বাচনে ইতোপূর্বে যাহারা ক্ষমতায় গিয়াছিল... আবার তাহারাই ক্ষমতায় আসিবে। ভাসানীর এই দাবি ছিল সামরিক সরকারের ইচ্ছারই প্রতিফলন।”
অর্থাৎ, সেই সময়ও নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে, এ রকম আশঙ্কা ছিল মওলানা ভাসানীর। তাই তিনি চেয়েছিলেন, নির্বাচন যাতে না হয়।

দুই
সকল প্রকার স্বৈরাচারের আমলে বঙ্গবন্ধুর অনুরাগীরা নির্যাতিত হয়েছেন। এমনকি সেই সময়ে আওয়ামী লীগের সাথে যাদের সামান্য সম্পর্ক ছিল তারাই বিপদে পড়েছে। খন্দকার মোস্তক গংদের সাথে যারা যোগ দেয়নি তাদের ভয়ানক পরিণতি হয়েছিল। আজকে খুব সাদামাটাভাবে আজ অনেক কথা সুচিন্তকরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বলেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ নাম দুটো ছিল নিষিদ্ধ। এমনকি অন্নদা শংকর রায় ভারতের দেশ পত্রিকায় ‘কাঁদো বাঙালি, কাঁদো’ শিরোনামে লেখাটা পর্যন্ত ছাপা হয়নি। ছাপা হয়নি অর্থাৎ, সেই সময়কার ভারতীয় সরকারপ্রধানের নির্দেশে ‘দেশ’ পত্রিকা সেই লেখা ছাপে নি। অন্নদা শংকর রায় পরবর্তীতে তার নিজের লেখাতে বিস্তারিত বর্ণনা করেছিলেন। কলকাতার মার্কিন কনসাল জেনারেলের পৃথক আরেকটি প্রতিবেদনে অবশ্য ওই একই ইঙ্গিত মিলেছে। ১৫ আগস্ট কলকাতার শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় বলেন, ‘উদ্বাস্তুদের প্রতিহত করতেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে।’ মি. রায় সম্পাদকদের অনুরোধ করেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশে সম্ভাব্য হিন্দু-মুসলমান সংঘাত বিষয়ে তারা যেন তাদের পত্রিকায় কিছুই প্রকাশ না করেন। এবং বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার বিষয়টিকেও যাতে তারা ইস্যুতে পরিণত না করেন।’ [মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড : মিজানুর রহমান খান, প্রকাশকাল আগস্ট ২০১৩, পৃষ্ঠা-৮৬] বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতা খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায় গিয়েছিলেন। কেউ কেউ সজ্ঞানে গিয়েছিলেন আবার কেউ কেউ পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েছিলেন। যারা বাধ্য হয়ে গিয়েছিলেন তারা বেঁচে থাকা অবস্থায় প্রায়শ্চচিত্তও করেছেন। তাদের অনেকে দেশের চরম ক্রান্তিলগ্নে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। আওয়ামী লীগের ওপর কী  স্ট্রিমরোলার চলেছে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তা জানতে হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি অথবা বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে গিয়ে পুরনো পত্রিকার ফাইল নিয়ে বসতে হবে। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় অশোক গুপ্ত নামের একজন ভারতীয় কূটনীতিক ছিলেন বাংলাদেশে। তিনি পরবর্তীতে একটি বই লিখেছিলেন ‘কনফিডেনশ্য়িাল ডায়েরী’; তার ছদ্মনাম ছিল বিক্রমাদিত্য। আওয়ামী লীগের আজকের নেতা-কর্মীদের এই বইটা পড়া উচিত। কেননা তাদের জানা দরকার তাদের আগের নেতারা অনেক কষ্ট করেছেন, সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করেছিলেন। সেসব ত্যাগী মানুষের পুণ্যফলের ওপর আজকের আওয়ামী লীগের বিশাল কলেবর। ১৯৭৭ সালে কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কবিতায় ব্যক্ত করেছিলেন ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরানো শকুন’। সেই সময়টা ছিল ভয়াবহ এবং রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র ছিল বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের বিরুদ্ধে বিষোদগারপূর্ণ। ১৯৭৬ সালের বাংলাদেশে একুশে ফেব্র“য়ারি উপলক্ষে ৩টি কমিটি হয়েছিল। একটি ছিল আওয়ামী ঘরানা হিসেবে চিহ্নিত ‘কেন্দ্রীয় শহীদ দিবস উদযাপন কমিটি’। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন কবি জসিমউদ্দিন এবং খন্দকার মোহম্মদ ইলিয়াস। তার পাল্টা কমিটি হিসেবে গঠিত হয়েছিল মীর্জ্জা গোলাম হাফিজ এবং এনায়েতুল্লাহ খান। তা ছাড়া ছাত্রদের আরেকটি কমিটি হয়েছিল, সেটির নাম ছিল ‘একুশে উদযাপন ছাত্রসমাজের জাতীয় কমিটি’। মীর্জ্জা গোলাম হাফিজ এবং এনায়েতুল্লাহ খান কমিটিতে যাদের নাম ছিল তাদের অনেকেই এখন বঙ্গবন্ধুর সাচ্চাপ্রেমিক হিসেবে পরিচিত। এই কমিটি পুরোটা উপস্থাপিত হলে অনেক বিজ্ঞজন এখন অস্তিত্বে সংকটে পড়বেন। পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার নিয়ে বানানো সব গল্প পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল। সেই সময়টাতে আওয়ামী লীগার পরিচিতি একটা ব্যাপক সামাজিক যন্ত্রণার বিষয় ছিল। ১৯৭৬ সালের সেই মীর্জ্জা গোলাম হাফিজ ও এনায়েতুল্লাহ খানের কমিটিতে যারা ছিলেন তাদের অনেকে বঙ্গবন্ধুর এখনকার বিশুদ্ধ অনুরাগী আছেন। এটা একটা বিশাল গবেষণার বিষয় সব জ্ঞানী-গুণীজনরা কী কারণে জিয়াউর রহমানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ১৯৭৭ সালের ২৫ মার্চ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শামসুল হক, ২২ জুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ আলী আহসান ও ২৮ জুন অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ জিয়াউর রহমান সাহেবের উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। এ জন্য ড. হুমায়ুন আজাদ তার প্রবচন গুচ্ছে লিখেছিলেনÑ ‘বাংলার বিবেক খুবই সন্দেহজনক। বাংলার চুয়াত্তের বিবেক সাতাত্তরে পরিণত হয় সামরিক একনায়কের সেবাদাসে।’ সবসময় মনে রাখা দরকার, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ১৯৭১ সাল থেকে শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদের সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বোস্টারের প্রথম বৈঠক হয়। এ সম্পর্কে ২০ আগস্ট প্রেরিত তারবার্তায় বোস্টার লিখেছেনÑ ‘... মোশতাক বলেছিল, যে সুযোগ একাত্তরে হারিয়েছি, তা এবার আর হাতছাড়া করা যাবে না। আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার, শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন না করতেন, তা হলে এই দেশটা অনেক আগেই আফগানিস্তান হয়ে যেত।’

তিন
অধ্যাপক নুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর সময়ে জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ‘বাংলাদেশ জাতি গঠনকালে এক অর্থনীতিবিদের কথা’ নামে এক অসাধারণ বই লিখেছেন। স্পষ্ট বোঝা যায়, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কাছে পাওনা আদায়ের ব্যাপারে ভীষণ রকমের ছিলেন। সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিলÑ কীভাবে পাকিস্তান কীভাবে আমাদের পাওনা পরিশোধ করবে। পাকিস্তান এটা মোটেই ভালোভাবে নেয় নি। যে কারণে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছিল। (ক) পাকিস্তান নীতিগতভাবে সব সম্পদ ও দায় সমানভাবে ভাগ করে নেবে (খ) একটি যৌথ কমিশন এ বিষয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা করে দেখবে এবং (গ) পাকিস্তান দুই মাসের মধ্যে কিছু অর্থ তার সদিচ্ছার প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশকে প্রদানের উদ্যোগ নেবে। প্রথম কিস্তিতে সহজে হিসাবযোগ্য সম্পদ দিয়ে পরিশোধ করা হবে, যেমনÑ স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা, বেসামরিক বিমান ও জাহাজ। এই প্রতীকী অর্থ প্রদানের পরিমাণ ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ধার্য করা হয়। এটি ছিল সমগ্র পরিশোধ ও বণ্টনযোগ্য সম্পদের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। তা ছাড়া অন্যদিকে বাংলাদেশ এরই মধ্যে পাকিস্তানের বৈদেশিক দায় ভাগ করে নিয়েছিল। বাংলাদেশ এটাও প্রস্তাব করে যে, যদি পাকিস্তানের টোকেন দায় মেটাতে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার সংগ্রহ না থাকে, তেল উৎপাদনকারী বন্ধু-দেশ (যারা বাংলাদেশের সাথে আলোচনাকালে দুই দেশের বিবাদ মীমাংসা করে দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেখিয়েছে) পাকিস্তানকে এ ব্যাপারে সহযোগিতাদানে প্রস্তুত।
১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যে ভাষণ দেন, তাতে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের (বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ যাবে, এমন প্রস্তাবসহ) প্রসঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করেন। ১৯৭৫ সালে কমনওয়েলথ রাষ্ট্রের প্রধানদের কনফারেন্সেও তিনি এই ইস্যু উত্থাপন করেন। এমনকি ১৯৭৫-এর জুলাই মাসে ইসলামি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনেও প্রসঙ্গটি আলোচিত হয়।
পঁচাত্তরের জুলাইতে ওআইসি পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলনে কামাল হোসেন প্রস্তাব করেন যে, এ ব্যাপারে আরব দেশগুলো (সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত) মধ্যস্থতা করতে পারে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, এরা সবাই অথবা যে কোনো দেশ ‘মধ্যস্থতাকারী’র কাজটি করতে পারে। তার দুই পক্ষে প্রাসঙ্গিক আলোচনা পরীক্ষা করে ‘সমাধানের সূত্রগুলো’ প্রস্তাব করতে পারে। বাংলাদেশ এ বিষয়ে আগাম আশ^াস দিয়ে রাখতে রাজি যে, সে মধ্যস্থতাকারীর প্রস্তাব মেনে নেবে। বাংলাদেশ এর আগেও পাকিস্তানের নিকট-বন্ধু আরব আমিরাতের নাম মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রস্তাব করে। কিন্তু পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় রাজি ছিলেন না। বাংলাদেশের উদাত্ত আহ্বানে তারা সাড়া দেন নি। ইসলামাবাদ ফিরে গিয়ে পাকিস্তান সরকার এ বিষয়ে উত্তর জানাবে বলে আশ^াস দেয়। সেই উত্তর কখনোই আসেনি।
অধ্যাপক নরুল ইসলাম লিখেছেনÑ ‘১৯৭৫-এর আগস্ট মাসে বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতা দখলের সঙ্গে সঙ্গেই অভ্যুত্থানকারী সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর সুরাহা না করেই ঐ পদক্ষেপ নেয়া হয়।’ এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে পাকিস্তান দূতাবাস নানাভাবে সক্রিয় ছিল। 

লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক

বাংলা বিচিত্রা/ মানিক সরকার/ হামিদ মোহাম্মদ জসিম

 
পুরনো সংখ্যা
  • ২৭ আগস্ট ২০১৭

  • ১৩ আগস্ট ২০১৭

  • ০৬ আগস্ট ২০১৭

  • ৩০ জুলাই ২০১৭