বহমান সময়: সেতু কাহিনী

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৪:৫৮

অনলাইন ডেস্ক

ফজলুল হক, ২২ ফেব্রুয়ারি, বাংলা বিচিত্রা :
এক
আমরা যারা লেখালেখি করি আমাদের দু একজন পাঠক পাঠিকা আছেন, তাদের মধ্যে দু একজন আছেন, যারা আমাদের পছন্দ করেন। আমাদের উপর উনাদের আস্থা আছে। পাঠকের আস্থাই আমাদের আসল পাওনা। কোন রাজনৈতিক ব্যাকিং না থাকলে আজকাল কোন কিছু আপনার আমার কপালে জুটবেনা। তেমন কিছু আশা করি না। সমস্যা পেছনে লেগে থাকে। যখন যেখানে যাই ব্যর্থতা পিছু নেয়। “রাজনীতি” এবং “বাণিজ্য”ণ্ডদুটি শক্তিশালী ফোর্স আপনার আমার উত্থান পতনের পেছনে থাকবে। বাণিজ্য কোথায় নাই? ঠিকাদারী করে পয়সা কামাতে পারলে আপনি সাংস্কৃতিক জগতে সাহিত্যের অঙ্গনে বসার একটা চেয়ার যোগাড় করতে পারবেন। পলিটিক্স এবং বিজনেসের ব্যাকিং বড় ব্যাকিং। আমার কোন উচ্চাশা নাই। বয়সও নাই। একটাই বাতিক আছে। দেশের জন্য ভাবি। জীবনবাজি রেখে এই দেশ স্বাধীন করতে গিয়েছিলাম। দেশের ভালো কিসে হবে সে চিন্তা ভাবনা করি। সম্প্রতি একটা চিন্তা আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, সেটা হচ্ছে পদ্মাসেতু নির্মিত হলে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহ কিছুটা বাড়ত। এটা কিন্তু সত্য যে-যার কারণে পদ্মাসেতু নির্মাণ ব্যাহত বা বিলম্বিত হয়েছে, সে যেই হোক, তার মাধ্যমে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশকে তার কাঙিক্ষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। যথা সময়ে যদি পদ্মাসেতু নির্মিত হতো, তাহলে মোট দেশজ উৎপাদনের (গ্রস্‌ ডোমেস্টিক প্রডাক্ট বা জিডিপি) প্রবৃদ্ধি আরো ১ দশমিক ২ শতাংশ অর্জিত হতো এর ফলে প্রবৃদ্ধি হতো ৮ শতাংশ। পদ্মা সেতু নির্মাণে বিলম্বের কারণে দেশ অগ্রগতি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ৮ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি খুব সহজ ব্যাপার নয়। এটাই এই সরকারের এক ধরনের চমক। আমরা জানতে চাই কেন পদ্মা সেতুর টাকা বিশ্বব্যাংক দিলনা? দোষটা সরকারের উপর দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, সরকার দুর্ণীতিগ্রস্ত-তাই বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতুর টাকা দেয়নি। আসল সত্য কি? সত্য বেরিয়ে আসছে। সত্য চাপা থাকেনা। বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতুর টাকা দেয়নি। এটা কি সরকারের দুর্নীতির জন্য? নাকি, কেউ এটা করে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চেয়েছিল? অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পরে আপনারা জানতে পারবেন। গত সোমবার (১৩/০২/২০১৭) মন্ত্রীসভার বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক ভাবে পদ্মাসেতু নিয়ে আলোচনা হয় বলে গনমাধ্যমে সংবাদ বেরিয়েছে। কানাডার আদালতের রায় বেরোনোর পর এই আলোচনা সামনে আসে। পদ্মাসেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে সবাই জানেন। দুর্নীতির বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ও বিশ্বব্যাংকের অবস্থানকে দৃঢ়ভাবে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেকে মনে করেন, এজন্য শেখ হাসিনা এখন অভিনন্দন পাবেন। কানাডার আদালতের রায়-এটাই প্রমাণ করে যে, একটা মহল পদ্মাসেতু নিয়ে রাজনৈতিক জুয়া খেলতে চেয়েছে। পদ্মাসেতু বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কি ছিল তা আমরা দেখেছি। একটি জাতীয় দৈনিক রিপোর্ট প্রকাশ করে বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীসভার বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বলেছেন, উনার পরিবারের সদস্যদের এই কল্পিত ঘটনায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। অথচ কানাডার আদালতের রায়ে প্রমাণিত হলো, এখানে কোন দুর্নীতি হয়নি।
একটি জাতীয় দৈনিক লিখেছে, বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক মন্ত্রী-নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই পত্রিকাকে বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় অংশ নিয়ে উনার পরিবারের সদস্যদের জড়ানোর বিভিন্ন অপতৎপরতার কথা উল্লেখ করেন। সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ্য মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে ওই সময়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে এক মন্ত্রী, এক উপদেষ্টা ও এক সচিব ছিলেন। এর মধ্যে একজন সচিব গ্রেপ্তারও হন। (সূত্র দৈনিক প্রথম আলো ১৪/০২/২০১৭)। পত্র পত্রিকায় এসব রিপোর্ট পড়ে মন খারাপ হয়ে যায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা। উনার একটা গুন সকলের চোখে পড়ে। উনি দৃঢ় চিত্ত। বাংলাদেশের নিজের টাকার পদ্মাসেতু বানাব-এই সংকল্প নিয়ে উনি বিশ্বব্যাংকের এবং মার্কিন লবির চাপ অগ্রাহ্য করেছেন। কেউ আওয়ামী লীগ করেন, কেউ বিএনপি করেন, কিন্তু আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। এই বাংলাদেশে পদ্মাসেতু হলে, গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মিত হলে, কর্ণফুলি নদীর তলদেশে ট্যানেল নির্মিত হলে, আইটি সেক্টর উন্নত হলে, আউটসোর্সিং-এ ভাল করতে পারলে, দেশে জব সৃষ্টি হলে-আমি আপনি যে দলই করুন না কেন, আমরা সবাই উপকৃত হবো। সূর্য সকলকে সমান আলো দেয়। হিন্দু, ইহুদি, মুসলমান, খ্রীস্টান, বৌদ্ধ-সে দেখেনা। যে মহল আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর জন্য পদ্মা সেতুর টাকা দিতে বিশ্বব্যাংকে প্রভাবিত করল, সে মহলের উদ্দেশ্যে আপনি কি বলবেন? আমরা এখন গরীব দেশ নই। বিগ পাওয়ার না হলেও আমরা সফ্‌ট পাওয়ার হতে পারব। কোন ব্যক্তি ১৬ কোটির মানুষের চাইতে বেশী শক্তিশালী হতে পারেনা। সে যেই হোক।
পত্রিকায় অনেক রকম সংবাদ বেরিয়েছে। কোনটা সত্য, কোন্‌টা আংশিক সত্য তা জানিনা। তবে কিছু কিছু রিপোর্ট মানুষকে ভাবায়। বড় মাপের মানুষের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা। চাইলেই আমরা কোন ভাল মানুষকে অসম্মান করতে পারিনা। একটা জাতীয় দৈনিক লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীসভার বৈঠকে আলোচনার ফাঁকে বিশ্বব্যাংকের ঋণ প্রত্যাহারের পেছনে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, অধ্যাপক ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে রাখতে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন তাঁকে (প্রধানমন্ত্রীকে) টেলিফোনে কয়েকবার অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী এটা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকের উপদেষ্টা হিসেবে ইউনূসকে রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা মেনে নেননি। এখন দেখা যাচ্ছে, কানাডার আদালত পদ্মাসেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, “পদ্মাসেতু-দুর্নীতি” কি আসলে “পদ্মাসেতু-ষড়যন্ত্র” ছিল? একজন ব্যক্তির জন্য পদ্মাসেতু ষড়যন্ত্র হয়েছিল? সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, “মন্ত্রীসভা মনে করে, কানাডার আদালতের রায়ে প্রমাণিত যে, বিশ্বব্যাংক তাদের অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।” যে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি, কেন তাকে বিশ্বব্যাংক সত্য ধরে নিয়ে সেতু বানানোর ঋণ প্রত্যাহার করল? বিশ্বব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের কারণে, বাংলাদেশের অর্থনীতির বিপুল ক্ষতি হলো। কানাডার আদালতের রায় প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশ সরকার তখন যা বলেছে, তা সত্য। এখন বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত হয়েছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হয়েছে। সততা বিরাট শক্তি। সরকার প্রধান সৎ বলে-আল্লাহর সাহায্য সৎ লোকের দিকে থাকবে। যারা বিশ্বব্যাংককে প্রভাবিত করেছে, তারা কি সরকারকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিল?
দুই.
প্রফেসর ইউনূস বড় মাপের মানুষ। বিশ্বব্যাপী উনার সুনাম। উনার মেধা পরিমাপ করার ক্ষমতা আমার নাই। কোন বড় মাপের মানুষের ছোটখাট সীমাবদ্ধতাও মানুষের কাছে বড় মনে হয়। ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে গত শুক্রবার ১০ জানুয়ারি ইন্ডিয়ান ইনিস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টে ছাত্র ও শিক্ষকদের সমাবেশে ড. ইউনূস বলেন, “প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে একজন উদ্যোক্তা। অন্যের জন্য কাজ করতে পৃথিবীতে কেউ জন্মায় না।”
কিছু যুক্তি আছে, যে ধরনের যুক্তি থেকে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বেরিয়ে এসে সমস্যার মূলে প্রবেশ করতে হবে। নতুন যুক্তি কাঠামো তৈরী করতে হবে। যুক্তিতর্ক আইডিয়া-যা আপনাকে সমানে এগুতে সাহায্য করবে, তা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে। জন্মগতভাবে সকল মানুষই উদ্যোক্ত। কিন্তু জন্মগত ভাবে সকল মানুষ সকল “অপরচ্যুনিটি”, উপরে উঠার সুযোগ সুবিধা সমান পায়না। আপনি সকল মানুষের মধ্যে অন্তর্নিহিত যে সকল পসিবিলিটিস্‌ বা সম্ভাবনা রয়েছে তা তুলে ধরতে পারবেন। শুনে আমি চমৎকৃত হবো। কিন্তু অধিকাংশ মানুষের সামনে সম্ভাবনার সাথে সাথে যে অজেয় সীমাবদ্ধতা দাঁড় করানো হয়, তা উৎরানোর পথ দেখাতে পারবেন না? সেটা কঠিন কাজ। মানুষের সামনে থেকে বাধার প্রাচীর সরাতে হবে। ওয়ান পারসেন্ট লোকের হাতে নাইন্টি নাইন পারসেন্ট সম্পদ কুক্ষিগত হয়ে জমা হয়েছে। একথা বললে বাহবা পাওয়া যায়। কিন্তু ধনকুবেররা এই প্রক্রিয়া উল্টে দিয়ে ওয়ান পারসেন্ট কে নিঃস্ব করে, নাইনটি নাইন পারসেন্ট মানুষকে সমৃদ্ধ করবে- কে এটা নিশ্চয়তা দিতে পারে? আপনি সকল মানুষের জন্য শিক্ষার দাবী তুলে পল্টনে ভাষণ দিলে বাহবা পাবেন। কিন্তু যখন দেখবেন আপনার বাসার বুয়ার ছেলে সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিয়ে জজ ব্যারিস্টার, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার হচ্ছে-তখন আপনি তা মেনে নিতে কষ্ট পাবেন। এটাই মনস্তাত্বিক বাধা। যাদের সাথে নিয়ে “ওয়ান পারসেন্ট” এর বিপক্ষে বলছেন, তারাতো “ওয়ান পারসেন্টেরই” গোষ্ঠীভুক্ত। মার্কিন সরকারের কর্ত্যাব্যক্তিরা গরীবের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দেবে-এটা আমার ভাবার বিষয় বলে, আমি মনে করিনা। বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বঞ্চনার রূপকার হচ্ছে মার্কিন জায়ান্টরা। তারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সাম্য আনবে। বাহ্‌।
অন্ধ্র প্রদেশের রাজধানী অমরাবতীতে “নারীর ক্ষমতায়নণ্ডশক্তিশালী গণতন্ত্র” শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ড. ইউনূস বলেছেন, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করা সমাজের মৌলিক লক্ষ্যগুলোর একটি। কিন্তু আমদের ভুলে গেলে চলবেনা যে, অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র সম্ভব নয়। আমরা যে অর্থনীতিতে বাস করছি, তা কোনভাবেই অংশগ্রহণমূলক নয়। সমাজের নীচের অর্ধেক মানুষের এতে খুব সামান্যই অংশ গ্রহণ রয়েছে। পৃথিবীতে মাত্র ১ শতাংশ মানুষ প্রায় ৯৯ শতাংশ সম্পদের মালিক। এটাকে কোন ভাবেই অংশ গ্রহণ মূলক বলা চলেনা।
আর্থিক সেবা অর্থনৈতিক জীবনের অক্সিজেন। জনসংখ্যার নীচের অর্ধেক, বিশেষ করে নীচের দিকের নারীরা এই অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত। এ কারণে অর্থনৈতিক জীবনে নারী দুর্বল । এই অক্সিজেন “সুবিধাভোগীরা” একচেটিয়া ব্যবহার করছে। এই অবস্থা থেকে নারীকে বের করে আন্‌তে হলে সকল গতানুগতিক চিন্তা বাদ দিতে হবে। গায়ে চকচকে কোট ঝুলিয়ে এসির হাওয়া খেয়ে যে “চিন্তা” উপহার দেবেন-তা দিয়ে কোন পরিবর্তন আন্‌তে পারবেনা। শোষক স্বেচ্ছায় শোষিতের পাশে দাঁড়াবেনা। আমার কথা বিশ্বাস না হলে দেখুন, সংসদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের ৩৪.২% যৌন নির্যাতনের শিকার (দৈনিক প্রথম আলো ১৪/০২/২০১৭)। এই অবস্থায় নারী কি নিজেকে আর্থিক সামাজিকভাবে নিরাপদ ভাবতে পারে? অর্থনীতির অক্সিজেন কি নারী পাচ্ছে? অক্সিজেন খাচ্ছে রাঘব বোয়াল। আপনি গরীবকে অক্সিজেন খাওয়াবেন, সেটা করতে হলে গরীবকে লাইম লাইটে আনতে হবে। আপনি যা বলেছেন, তাতে ধনীর হাত গলে কিছু সম্পদ ট্রিফল ডাউন হবে মাত্র।
তিন
ড. ইউনূস আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় মানুষ। পদ্মাসেতু নির্মিত হলে তা সাধারণ মানুষের কাজে আসবে। উনার কারণে যদি পদ্মাসেতু নির্মাণ বিলম্বিত হয়, তাহলে তা কার ক্ষতি করবে? অংশগ্রহণমূলক বা বটমআপ যাই হোকণ্ড অর্থনীতিই তো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। পদ্মাসেতু নিয়ে যড়যন্ত্র না হলে আমরা অনেক ভাল থাকতাম। দেশ গড়ার প্রশ্নে সকলকে এক হতে অনুরোধ জানাই। এই সেতু কাহিনী হবে এক মর্মান্তিক গল্প।
লেখক : সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
(সংগৃহীত)

পুরনো সংখ্যা
  • ১৭ অক্টোবর ২০১৯

  • ৩ অক্টোবর ২০১৯

  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯