গানে গানে সুধীন দাশ ও করুণাময় গোস্বামীকে শ্রদ্ধা

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৭, ১৬:৪৫

অনলাইন ডেস্ক

সংগীত ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও গবেষক সুধীন দাশ এবং ড. করুণাময় গোস্বামীর মৃত্যুতে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ছায়ানট ভবনে স্মৃতিচারণ ও গানে বরেণ্য দুই সংগীত ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আয়োজনের শুরুতে দুই সংগীতজ্ঞের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আলোচনার শুরুতে সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলমের সম্পাদক আবুল হাসনাত সংগীতে নিবেদিত প্রাণ এই দুজনের জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী প্রয়াতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
আবুল হাসনাত বলেন, “বাংলাদেশের দুই প্রবাদপ্রতীম সংগীত ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও গবেষক সুধীন দাশ ও ড. করুণাময় গোস্বামীকে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে আমরা হারালাম। এই দুই কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে আমাদের সঙ্গী ছিলেন। তাদের প্রয়াণে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।”
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সংগীত পরিবেশনায় প্রথমে আসেন মফিজুর রহমান। প্রথমে গান কাজী নজরুল ইসলামের ‘নীলাম্বরী শাড়ি পরি’, পরের গানটি ‘ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া’। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় শিল্পী নাসিমা শাহীন গান ‘সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায়’ এবং ‘তুমি যখন এসেছিলে’ গানটি। গানের মাঝে চারুশিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীর দুই সংগীতজ্ঞের সম্বন্ধে স্মৃতি থেকে বলেন বেশ কিছু কথা।
অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামীর স্নেহধন্য নারায়ণগঞ্জের ইকবাল সুমন গান ‘কেন ফোটে, কেন কুসুম ঝ’রে যায়’ এবং ‘বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ’। এরপর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান শোনান লাইসা আহমদ লিসা। তিনি একে একে গান ‘পথে চলে যেতে যেতে’, ‘ধায় যেন মোর সকল ভালবাসা’ এবং অতুলপ্রসাদ সেনের ‘বাদল ঝুমা ঝুমা’ গানখানি। শেষ শিল্পী ছিলেন খায়রুল আনাম শাকিল। তিনি গান ‘যতই দহনা তুমি’ এবং ‘শ্যামা নামের’ গানটি।

বাংলা বিচিত্রা/ মানিক সরকার/ হামিদ মোহাম্মদ জসিম

পুরনো সংখ্যা
  • ২৭ আগস্ট ২০১৭

  • ১৩ আগস্ট ২০১৭

  • ০৬ আগস্ট ২০১৭

  • ৩০ জুলাই ২০১৭